বাংলাদেশে মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রতিদিনই বাড়ছে। ঢাকার কোনো অফিস থেকে বিকেলের বিরতিতে হোক, কিংবা চট্টগ্রামের কোনো চায়ের দোকানে বসে হোক – মানুষ এখন মোবাইলেই সব কিছু করতে চায়। Bajeep ঠিক এই চাহিদাটাই মাথায় রেখে তাদের অ্যাপটি তৈরি করেছে।
সবচেয়ে বড় যে সমস্যাটা বাংলাদেশি ব্যবহারকারীরা মোবাইল অ্যাপে পান সেটা হলো নেটওয়ার্ক সমস্যা। গ্রামে বা মফস্বলে অনেক জায়গায় ৪G সংযোগ ভালো থাকে না। Bajeep অ্যাপ এই সমস্যাটা সমাধান করেছে অত্যাধুনিক ডেটা কম্প্রেশন টেকনোলজি দিয়ে। ৩G বা এমনকি দুর্বল ৪G সংযোগেও অ্যাপটা স্মুথলি চলে – লাইভ ক্যাসিনো ভিডিও স্ট্রিম কোনো বাফারিং ছাড়াই দেখা যায়।
ব্যাটারির সমস্যা নিয়েও অনেকে চিন্তিত থাকেন। অনেক গেমিং অ্যাপ ফোনের ব্যাটারি দ্রুত শেষ করে দেয়। Bajeep অ্যাপে রয়েছে স্মার্ট পাওয়ার ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম – অ্যাপ ব্যাকগ্রাউন্ডে গেলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে রিসোর্স ব্যবহার কমে যায়। ফলে দীর্ঘক্ষণ ম্যাচ ফলো করলেও ফোন গরম হয় না বা ব্যাটারি খুব দ্রুত শেষ হয় না।
পেমেন্টের সুবিধাটা অ্যাপে সবচেয়ে ভালোভাবে কাজ করে। bKash, Nagad বা Rocket-এর মাধ্যমে ডিপোজিট করা যায় অ্যাপের ভেতরেই – আলাদা কোনো ব্রাউজার বা অ্যাপ খুলতে হয় না। একবার পেমেন্ট সেভ করে রাখলে পরবর্তীতে মাত্র এক ট্যাপেই সম্পন্ন হয়। Bajeep-এর অ্যাপে ডিপোজিট তাৎক্ষণিক এবং উইথড্র সাধারণত ১৫ থেকে ২০ মিনিটের মধ্যে হয়ে যায়।
লাইভ বেটিং অভিজ্ঞতাটা মোবাইল অ্যাপে একদমই আলাদা। ম্যাচের স্কোর, অডস আর বেটিং স্লিপ – সব একই স্ক্রিনে দেখা যায়। ভিপি স্কোর আপডেট হওয়ার সাথে সাথে অডসও আপডেট হয়, আর নোটিফিকেশন আসে নির্দিষ্ট কিছু ঘটলে। যেমন বাংলাদেশের কোনো ব্যাটসম্যান আউট হলে বা কোনো উইকেট পড়লে সাথে সাথে জানতে পারবেন।
Bajeep অ্যাপের আরেকটা দারুণ ফিচার হলো মাল্টি-ভিউ। একই সময়ে একাধিক ম্যাচের লাইভ আপডেট পর্দায় পাশাপাশি দেখা যায়। আইপিএল আর প্রিমিয়ার লিগ একই সময়ে চললে, দুটো ম্যাচ একসাথে ট্র্যাক করা যাবে। এই ফিচারটা অভিজ্ঞ বেটরদের কাছে বিশেষভাবে জনপ্রিয়।
অ্যাপের নিরাপত্তা ব্যবস্থাও চমৎকার। প্রতিটি লগইনে ডিভাইস ভেরিফিকেশন হয়, নতুন ডিভাইস থেকে লগইন করলে SMS যাচাইকরণ লাগে। দুই ধাপের প্রমাণীকরণ চালু রাখলে অ্যাকাউন্ট হ্যাক হওয়ার ঝুঁকি প্রায় শূন্য। বায়োমেট্রিক লগইন সাপোর্ট করায় পাসওয়ার্ড ব্যবহার না করেও সুরক্ষিত থাকা যায়।
সবশেষে বলতে হয় Bajeep অ্যাপের বাংলা ইন্টারফেসের কথা। মেনু থেকে শুরু করে গেমের নির্দেশনা, পেমেন্ট স্ক্রিন থেকে সাপোর্ট চ্যাট – সব কিছুই বাংলায়। বাংলাদেশের সব জেলার মানুষ অনায়াসে ব্যবহার করতে পারবেন, ইংরেজি জানার দরকার নেই।